কিডনি র্যাকেটের ফাঁদে পড়ে কিডনি বিক্রি করল দাদনের কাজে যাওয়া এক শ্রমিক। বৃহস্পতিবার এই ঘটনার তদন্তে নেমে মালদা জেলার চাঁচল মহকুমা এলাকায় তদন্তে এলো নদীয়া জেলার নৈহাটি থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মাসের ২৩ শে এপ্রিল নৈহাটি থানার পুলিশ সংশ্লিষ্ট একটি এলাকা থেকে মোট আট জন কিডনি দাতাকে ঘরবন্দী অবস্থায় উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া ওই আটজন কিডনি দাতার মধ্যে চাঁচল থানার ভাকরি গ্রাম পঞ্চায়েতের নয়াটোলা গ্রামের বাসিন্দা আঞ্জারুল হক (৩২) ও বালিডাঙা গ্রামের বাসিন্দা দীপক দাস (৩৫) ছিলেন বলে খবর। এই দুই জনের কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে কিডনি কিনে নিয়েছিল র্যাকেটের দুষ্কৃতিরা। এই ঘটনার তদন্তে নেমে নৈহাটি থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার এসে হাজির হয় ওই দুই শ্রমিকের বাড়িতে। এদিন পরিবারের লোকেদের সঙ্গে দেখা করেন ও কথা বলেন। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় ওই এলাকায়।
যদিও আঞ্জারুল হকের স্ত্রী জানায়, কয়েক মাস আগে তার স্বামী দাদন খাটতে বাইরে যায়, যদিও তার কাছ থেকে সে টাকা পয়সা কিছুই পাননা। তবে কি করে তার স্বামী এই ঘটনায় জড়াল তা তিনি বলতে পারেননি।
এই ঘটনায় এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, দাদনের কাজ করতে গিয়ে কি ভাবে এই ঘটনায় জড়াল তারা কিছুই বুঝতে পারছেন না। আর এদিন এই ঘটনার তদন্তের জন্যই নৈহাটি থানার পুলিশ এখানে আসে।